May 3, 2026, 3:27 pm
শিরোনাম:
বদলগাছীতে বিষাক্ত সাপের দংশনে ৭ বছরের শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু ভালুকায় খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন বেলকুচিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ সরকারের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত বানিয়াচংয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রে চাকরির অভিযোগ ব্যবস্থা নিতে সভাপতির গড়িমসি কৃষ্টিবন্ধন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে আলোচনা, আবৃত্তি ও সংগীতানুষ্ঠান সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ মাদকসেবী আটক, মোবাইল কোর্টে ১৫ দিনের কারাদণ্ড, প্রশাসনের নাকের ডগায় মাদকের অভয়ারণ্য: রৌমারীর সেই পরিত্যক্ত ভবন ও জননিরাপত্তা ঝুঁকি মুন্সিগঞ্জ শহরে জাতীয়তাবাদী দলের রাজনৈতিক শীর্ষে নেতারা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হলেন সৈয়দ এহসানুল কাদের মিল্টন

বানিয়াচংয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রে চাকরির অভিযোগ ব্যবস্থা নিতে সভাপতির গড়িমসি

রিপোর্টারের নাম

বানিয়াচংয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রে চাকরির অভিযোগ
ব্যবস্থা নিতে সভাপতির গড়িমসি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ৯ নম্বর পুকড়া ইউনিয়নের সাতগ্রাম একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রানা লাল দাশের বিরুদ্ধে জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগপত্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন চাকরি করা এবং প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ছাড়াই উচ্চতর গ্রেডে বেতন-ভাতা উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে নীরেশ চন্দ্র দাশ নামে এক ব্যক্তি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ দায়েরের পরও অজ্ঞাত কারণে এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগকারীর দাবি। সভাপতির খামখেয়ালিপনায় সঠিক বিচার পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে ধূম্রজাল।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রানা লাল দাশ ১৪ জানুয়ারি ১৯৯৬ সালে সাতগ্রাম একতা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা লঙ্ঘন করে তৎকালীন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করা হয়। সেই নিয়োগপত্রের মাধ্যমে ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ তারিখে তিনি নিজেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান দেখান, যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও অভিযোগ করা হয়, প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য বাধ্যতামূলক যোগ্যতা হিসেবে বিএড ডিগ্রি প্রয়োজন হলেও রানা লাল দাশের কাছে বৈধ বিএড সনদ ছিল না। পরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’ থেকে জাল বিএড সনদ সংগ্রহ করে প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ গ্রহণ করেন এবং এমপিওভুক্ত হন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় ৮ম গ্রেড এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে অতিরিক্ত ৩ বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতায় ৭ম গ্রেড প্রাপ্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু রানা লাল দাশ জাল সনদের মাধ্যমে মাত্র ১১ বছর ১০ মাসেই ৭ম গ্রেডে বেতন-ভাতা উত্তোলন করেন, যা সরকারি বিধি-বিধানের পরিপন্থি।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী নীরেশ চন্দ্র দাশ ভুয়া নিয়োগ বাতিল, জাল সনদে চাকরি গ্রহণের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধভাবে উত্তোলিত সরকারি অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রানা লাল দাশের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত বলা যাবে।”

অন্যদিকে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। সৌমিত্র কুমার দাস মোবাইল -01709-250031


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST