April 20, 2026, 1:09 am
শিরোনাম:
বোরো ধান মৌসুমে ভালো ফলনের আশায় আশাবাদী কৃষকেরা গোপালগঞ্জে শিশুদের জন্য সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ডাকাতিয়া নদীতে সাঁতার কেটে ঘাস আনতে গিয়ে নিখোঁজ বৃদ্ধ মুশু গাজী নওগাঁয় আত্রাইয়ে ট্রেন থেকে লাফ পুলিশ সদস্যের; দুই পা বিচ্ছিন্ন! নিসআ যশোরে শ্রেষ্ঠ সদস্য নির্বাচিত শামসুর রহমান জসিম নরসিংদীতে শিক্ষকের মারধরে শিশু রক্তাক্ত, শিক্ষক গ্রেফতার সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি, বিএমএসএসের নিন্দা ও প্রতিবাদ রাজধানীতে সড়ক দখল করে মার্কেট, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী ডিমলায় নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে ৫ ঘণ্টা ধরে গণধর্ষণ নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার দুলালপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ২০২৬ইং দাখিল পরীক্ষাথীদের দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান

বোরো ধান মৌসুমে ভালো ফলনের আশায় আশাবাদী কৃষকেরা

রিপোর্টারের নাম

বোরো ধান মৌসুমে ভালো ফলনের আশায় আশাবাদী কৃষকেরা
রিপোর্টারঃ মোঃ শামীম আহমেদ (পাবনা)
পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চলতি বোরো ধান মৌসুমে কৃষকদের মাঝে দেখা দিয়েছে নতুন আশার আলো। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থা এবং উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের ফলে এ বছর ভালো ফলনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
জেলার ঈশ্বরদী, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও আটঘরিয়া উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিস্তীর্ণ জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছে। মাঠজুড়ে এখন সবুজ ধানের সমারোহ, যা কৃষকদের মনে জুগিয়েছে স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস। কৃষকদের মতে, মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চারা রোপণ ভালোভাবে সম্পন্ন হয় এবং বর্তমানে ধানের শীষ গঠনও সন্তোষজনক।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার সার, কীটনাশক ও সেচ ব্যবস্থার খরচ কিছুটা বেশি হলেও ফলন ভালো হলে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। অনেক কৃষকই আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পরামর্শ গ্রহণ করে চাষাবাদ করছেন, যা ফলন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বছর জেলায় বোরো ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে তদারকি ও কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। এছাড়া রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তবে কৃষকদের একাংশ জানিয়েছেন, যদি মৌসুমের শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটে, তাহলে এবারের বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলন পাওয়া সম্ভব।
সব মিলিয়ে, কৃষকেরা এখন আশাবাদী—পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পেয়ে তারা ঘরে তুলতে পারবেন সোনালি ফসল, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST