October 20, 2026, 5:28 am
শিরোনাম:
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মিছমেথুইর কালী ও দুর্গা মন্দিরে ধুমধামে শারদীয় দুর্গোৎসব হাদল বড় বিল সৈকতে আরাফাত রহমান কোকোর সৃতিতে নৌকা বাইজ অনুষ্ঠিত দেওঘরের পাওন সদয়নগরে শারদীয় দুর্গোৎসবে নগদ অর্থ উপহার দিলেন বিএনপি নেতা মুনসুর আলম চৌধুরী দুই বছরের কমিটি, দায়িত্বে তৃতীয় বছরেও—করতকান্দী দুর্গাপূজায় নেতৃত্বে সনজয় সরকার বিজয়নগরে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে বিল্লাল মেম্বারের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা। সাংবাদিককে হেনস্তা, মানহানিকর প্রচার ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। বরুড়ার মহেশপুর রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শনে জেলা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ চাটমোহরে সন্ধানী যুব সমিতির আওয়ামী লীগপন্থী কমিটি বাতিল ও অনিয়ম তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন। রুড়ার মহেশপুর রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শনে জেলা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ অষ্টগ্রামে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে কিশোরগঞ্জ -৪ আসনের সাংসদ এডভোকেট ফজলুর রহমান জামালপুরে উৎসব ও সম্প্রীতিতে পালিত হোক দুর্গাপূজা, সোহেল রানা খান

পাবনায় উন্নয়নকাজের কৃতিত্ব নিয়ে জামায়াত–বিএনপির তীব্র উত্তেজনাঃ ডিও লেটার ও ফলক বিতর্কে বাকবিতণ্ডা চরমে

রিপোর্টারের নাম

পাবনায় উন্নয়নকাজের কৃতিত্ব নিয়ে জামায়াত–বিএনপির তীব্র উত্তেজনাঃ ডিও লেটার ও ফলক বিতর্কে বাকবিতণ্ডা চরমে

পাবনা প্রতিনিধিঃ
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় যেসব জায়গাতে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী এর সংসদ সদস্য উদ্বোধন করছে সেখানে তারাই শুধু বাহবা নিচ্ছে নিজেদের দল ভারি করার জন্য, যেহেতু টাকা দিচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশ সরকার সেখানে তারা উদ্ভোদন করে নিজেদের গল্প শুনাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে।এদিকে বলে বেড়াচ্ছে এমপির ডিওতে রাস্তার কাজ, বিল্ডিং করা হচ্ছে, কিন্তু দিচ্ছে তো সরকার, সেই সরকারের বিরোধী দলীয় এমপি যারা লোকজন ফলক উন্মোচন করতেছে শূধু তাদের নাম দিয়ে সেই ফলকে বা সেই অনুষ্ঠানে বা ব্যানারে কোন প্রোগ্রাম হলে অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ কথাটা উল্লেখ থাকতে হবে তাহলে এখানে বিভ্রান্ত হবে না, তাহলে সরকারি দল বিরোধী দল উভয়ই সম্পৃক্ত থাকবে।এইটা না হওয়ার কারণে মিশ্র বিশৃংখলা দেখা দিচ্ছে, যা আইন-শৃংখলার অবনতির শামিল। উপজেলার সামনে পার্ক এর জায়গা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছিলো তৃতীয় লিঙ্গের বিজলী খাতুনকে জামায়াত নেতাদের সাথে রেজুলেশন করে।সেই জায়গাতে দুইটা গাছ ছিলো বিজলী জায়গা পাওয়াতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বাজার কমিটিসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দিয়েছিলো কিন্তু সেই বিষয়টাও তারা প্রচার করেছে জামায়াত এর নেতারাই বাধা দিয়েছে। প্রতিটি স্থানেই তারা তাদের ইচ্ছামত অপ-প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এমন অভিযোগ করেন সাবেক সেক্রেটারি ও সাবেক সদস্য সচিব ভিপি আব্দুল হাকিম খাঁন।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, ফরিদপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল হাই আল রাজী আইন-শৃংখলা মিটিং বলেছে, সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলী আজগরের ডিও লেটারে রাস্তা হইছে ভেরামারা থেকে ধানুয়াঘাটা পর্যন্ত। তার ডিও লেটারে উন্নয়ন মূলক কাজ হচ্ছে এইটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংসদ সদস্যর ডিও লেটারে এই রাস্তা হয় নাই, এই রাস্তা আজ এক থেকে দেড় বছর আগেই টেন্ডার হইছে সেই টেন্ডারের রাস্তা এখন কাজ হচ্ছে। সেখানে গিয়েও বর্তমানে এমপির নাম ফলক দিয়ে রাস্তা উদ্বোধন করা হয়েছে, সেখানে বর্তমান সরকারের কোন চিহ্ন নাই। খাল-কাটা যে প্রজেক্ট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে উদ্যাগ আজ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাস্তবায়ন করছে সেখানেও খাল-খনন উদ্বোধন করতে গিয়ে সে ফলকেও বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর নাম ফলকে নেই। জামায়াত ইসলামের একাধীক নেতা বক্তব্য দেওয়ার সময়ে তাদের এমপিকে হাইলাইটস করে বক্তব্য দিয়েছে এরকম বিভিন্ন জায়গাতেই। প্রশাসনের মধ্যেও একই অবস্থা জামায়াতের এমপি যা বলছে তারাও তাই করছে, তারা বলে উপরের নির্দেশ। এই সকল বিষয়ে কথা বলতে গেলে ফরিদপুর উপজেলা শাখার বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি আব্দুল হাই আল-রাজী ও বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি ও সদস্য সচিব ভিপি আব্দুল হাকিম খাঁনের সাথে বাক-বিতন্ডা শুরু হয় আইন-শৃঙ্খলা মিটিং এ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ফরিদপুর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও সাবেক আহবায়ক জহুরুল ইসলাম বকু বলেন, জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল হাই আল-রাজী বলছিলো যে ভেড়ামারা থেকে ধানুয়াঘাটার এই রাস্তাটা সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলী আজগর(এমপি) এর ডিও লেটারে হইছে এই বক্তব্যটা সে দিয়েছে। আমাদের সাবেক সেক্রেটারি ভিপি আব্দুল হাকিম খাঁন তার মিথ্যা বক্তব্যতে উঠেই প্রতিবাদ করছে, পরে তারা ভুল স্বীকার করে মাপ চেয়েছে।

বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও বি-নগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, জামায়াত ইসলামীর এমপির ডিও লেটারে হয় নাই, এইটা ভূয়া মিথ্যা ও বানোয়াট। এই মিথ্যা বক্তব্যর বিরুদ্ধে আমাদের সাবেক সেক্রেটারি ভিপি আব্দুল হাকিম খাঁন প্রতিবাদ করায় জামায়াতের সেক্রেটারীর সাথে বাক-বিতন্ডা হয়।

ফরিদপুর উপজেলা শাখার বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি আব্দুল হাই আল-রাজীকে প্রশ্ন করা হয় আইন-শৃংখলার মিটিং এ জামায়াত বিএনপির বাক-বিতন্ডা কি নিয়ে শুরু হয় এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন কোন কিছুই হয় নাই।পরে আবারও প্রশ্ন করা হয় এমপির ডিও লেটারে রাস্তা হয়েছে এমন কথা বলেছেন এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মেন্টালদের কথা, এমপির কাছ থেকে যে কোন অফিস ডিও লেটার চাইতেই পারে এমন কথা বলে পাশ কাটিয়ে যান।আবারো প্রশ্ন করি রাস্তা না কি এমপির ডিও লেটারে হইছে এমন বক্তব্য আপনার ছিলো এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরো বলে, এমপি হইছে এমপি সব জায়গাতে ডিও লেটার দিবে এইটা স্বাভাবিক বিষয়, এখন সব জায়গাতে যদি ধরে বসা হয় কেন দিলো কি কারণে দিলো এই সকল বিষয় তাদের ব্যাপার। তাদের কথা হলো সব জায়গাতে আমাদের তারেক রহমানের নাম থাকা লাগবে, এমপি ডিও লেটার দিক আর যাক দিক সেইটা কোন বিষয় না, নাম তাদের থাকাই লাগবে এইটা হলো তাদের ফরজ, নামাজের মত ফরজ। একটা টয়লেট নির্মাণ করতিছেন সেখানেও থাকতে হবে তারেক রহমানের নাম যে করতিছে। তিনি আরো বলেন, হাদলের এই রাস্তাটা হওয়া কত জরুরি কত গুরুত্বপূর্ণ এছাড়া কিছু না, আমরা জানতে চাইছি যে রাস্তাটা “ই” হওয়ার পরে কেন রাস্তাটার কাজ শুরু হচ্ছে না এটাই মূলত প্রশ্ন ছিলো এটার উত্তর কি ওরা দিবে! ওদের তেল মারামারির কোন দরকার আছে, কারণ এই রাস্তাটা গুরুত্বপূর্ণ একটা উপজেলার রাস্তা এই রাস্তা কার দরকার নেই সবারই দরকার। কিছু রাস্তা হয়ে গিয়েছে ঐ টুকু হলে হাদল ইউনিয়নে কষ্টটা লাঘব হতো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST