October 20, 2026, 6:28 pm
শিরোনাম:
গাজীপুর জেলা পরিষদ কতৃক দুস্হ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ কালিয়াকৈরে শারদীয় দুর্গাপূজার মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেন, আরিফা সুলতানা রুমা এমপি রামপালে রাতের আঁধারে সড়কে ঢালাই, স্থানীয়দের বাধায় কাজ বন্ধ জামালপুরে অসহায় ও হতদরিদ্রদের পরিবারের মাঝে ২০ টি অটো রিকসা বিতরন বিজয়নগরে মাদ্রাসার দপ্তরি কারাগারে বিজয়নগরের সাপুটিয়া বিলে মাছ লুটের অভিযোগ। ইজারাদারের দাবি, প্রতিবছর ১২ লাখ টাকা রাজস্ব দিয়েও লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে ফরিদপুরে নেশার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মিছমেথুইর কালী ও দুর্গা মন্দিরে ধুমধামে শারদীয় দুর্গোৎসব

নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চরম দুর্ভোগ — ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, অচল জেনারেটর!

রিপোর্টারের নাম

নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চরম দুর্ভোগ — ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, অচল জেনারেটর!

মো: রাফি হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
​
নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে একদিকে রোগীরা অতিষ্ঠ, অন্যদিকে হাসপাতালজুড়ে তৈরি হচ্ছে চরম অব্যবস্থাপনা। কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগী ও তাদের স্বজনরা পোহাচ্ছেন চরম দুর্ভোগ।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ যাওয়ার সাথে সাথেই পুরো হাসপাতাল অন্ধকারচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার ও জরুরি বিভাগের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে ওয়ার্ডে শুয়ে থাকা রোগী, বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক নানা জটিলতা বেড়ে চলেছে। অনেক স্বজনকেই হাতপাখা বা খবরের কাগজ দিয়ে রোগীদের বাতাস করতে দেখা যায়।
​সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো— দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর ধরে হাসপাতালের একমাত্র জেনারেটরটি নষ্ট হয়ে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এত বড় একটি ২৫০ শয্যার সরকারি হাসপাতালে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের মূল মাধ্যম অচল হয়ে থাকলেও তা মেরামতে বা নতুন জেনারেটর স্থাপনে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।
​চিকিৎসাধীন কয়েকজন রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকারি হাসপাতালে এসেছি কম খরচে ভালো চিকিৎসার আশায়। কিন্তু এখানে এসে দেখি চিকিৎসার চেয়ে গরমে আর অন্ধকারে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ গেলে ২-৩ ঘণ্টাও আসে না, আর হাসপাতালের জেনারেটর নাকি বছরের পর বছর নষ্ট!”
​এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, জেনারেটরটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ ও কারিগরি অনুমোদন মিললেই দ্রুত জেনারেটরটি সচল করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
​হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির অবহেলা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। ভুক্তভোগী রোগী ও সাধারণ মানুষের দাবি— দ্রুত হাসপাতালের অচল জেনারেটর সচল করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক, যাতে রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST