October 20, 2026, 12:42 pm
শিরোনাম:
বিজয়নগরে মাদ্রাসার দপ্তরি কারাগারে বিজয়নগরের সাপুটিয়া বিলে মাছ লুটের অভিযোগ। ইজারাদারের দাবি, প্রতিবছর ১২ লাখ টাকা রাজস্ব দিয়েও লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে ফরিদপুরে নেশার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মিছমেথুইর কালী ও দুর্গা মন্দিরে ধুমধামে শারদীয় দুর্গোৎসব হাদল বড় বিল সৈকতে আরাফাত রহমান কোকোর সৃতিতে নৌকা বাইজ অনুষ্ঠিত দেওঘরের পাওন সদয়নগরে শারদীয় দুর্গোৎসবে নগদ অর্থ উপহার দিলেন বিএনপি নেতা মুনসুর আলম চৌধুরী দুই বছরের কমিটি, দায়িত্বে তৃতীয় বছরেও—করতকান্দী দুর্গাপূজায় নেতৃত্বে সনজয় সরকার বিজয়নগরে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে বিল্লাল মেম্বারের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা। সাংবাদিককে হেনস্তা, মানহানিকর প্রচার ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। বরুড়ার মহেশপুর রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শনে জেলা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ চাটমোহরে সন্ধানী যুব সমিতির আওয়ামী লীগপন্থী কমিটি বাতিল ও অনিয়ম তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন।

বিজয়নগরের সাপুটিয়া বিলে মাছ লুটের অভিযোগ। ইজারাদারের দাবি, প্রতিবছর ১২ লাখ টাকা রাজস্ব দিয়েও লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে

রিপোর্টারের নাম

বিজয়নগরের সাপুটিয়া বিলে মাছ লুটের অভিযোগ।
ইজারাদারের দাবি, প্রতিবছর ১২ লাখ টাকা রাজস্ব দিয়েও লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে

শফিকুর রহমান শারীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের উত্তর পাশে তিতাস নদীর তীরে অবস্থিত সাপুটিয়া বিলে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে। বিলের ইজারাদার বাঁধ নির্মাণের সময় আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের শত শত মানুষ নৌকা ও বিভিন্ন ধরনের জাল নিয়ে বিলে প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বুধন্তি ইউনিয়নের বাসিন্দা নিখিল দাস তাঁর লোকজন নিয়ে পাটি দিয়ে বিলে বাঁধ দেওয়ার কাজ করছেন। এ সময় সাপুটিয়া, রসুলপুর, রাজাবাড়িয়াকান্দি, রামপুর, বৈশামুড়াসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষজন মাছ ধরতে বিলে জড়ো হন।
এ সময় অনেককে নৌকা নিয়ে বাঁধের ভেতরে প্রবেশ করে কারেন্ট জাল, কনই জালসহ বিভিন্ন ধরনের জাল সহ বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করে মাছ ধরতে দেখা যায়। এতে বিলের মাছ আহরণকে কেন্দ্র করে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
স্থানীয় গ্রামবাসীর দাবি, এ বিল তাঁদের গ্রামের নামে পরিচিতি রয়েছে এবং অনেকের নিজস্ব মালিকানাধীন সম্পত্তিও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বছরে একদিন এ বিলে মাছ ধরে আসছেন। তাঁদের ভাষ্য, দুপুর থেকে শুরু করে সারা রাত এবং পরদিন দুপুর পর্যন্ত মাছ ধরার এ কার্যক্রম চলবে।
গ্রামবাসীর দাবি, এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অনেকেই এ বিলের মাছের ওপর নির্ভরশীল। সরকার বিলটি ইজারা দিলেও তাঁরা বছরে অন্তত একদিন মাছ ধরার সুযোগ চান।
অন্যদিকে, বিলের ইজারাদার নিখিল দাস জানান, তিনি সরকারের কাছ থেকে ছয় বছরের জন্য সাপুটিয়া বিল ইজারা নিয়েছেন। প্রতিবছরের মতো এ বছরও তিনি সরকারি কোষাগারে ১২ লাখ টাকা রাজস্ব দিয়েছেন বলে দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, বর্ষা মৌসুম শেষে মাছ ধরে রাখার জন্য প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে মাছের খাবার দিতে হয়। পানির পরিমাণ কমতে শুরু করলে মাছ আহরণের সুবিধার্থে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু এ সময় বিপুলসংখ্যক মানুষ বিলে প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ায় তিনি প্রতিবছরই লোকসানের মুখে পড়েন। এ নিয়ে গত বছর তিনি একটি মামলা দায়ের করেন।
বিলের ইজারাদার এ পরিস্থিতি নিরসনে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাঁর দাবি, সরকারি রাজস্ব দিয়ে ইজারা নেওয়া বিলের মাছ অবাধে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের মাছ ধরার প্রথা এবং সরকারি ইজারার অধিকার—দুই বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।

শফিকুর রহমান শাহীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া 01717490756


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST