September 21, 2026, 2:49 pm
শিরোনাম:
জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধভাবে পাচারকালে ১৫ বস্তা সার জব্দ আগপুংগলী চারমাথা মোড়ে সড়কে বড় ধরনের ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল জামালপুরের বকশীগঞ্জে কুঁড়ি বিলে লাল শাপলা ফুলের সমাহার, আনন্দে মাতোয়ারা দর্শনার্থীরা রামপালে এসআরবি’র অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রয়াসে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও জেডসি স্কুল ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন বিজয়নগরে ৬০ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার রাঙ্গামাটিতে এনসিপির নবগঠিত জেলা কমিটির প্রেস মিট ও পরিচিতি সভা মাদক, ইভটিজিং ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রাতে নিজেই সড়কে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড লাগাচ্ছেন মিঠামইনের ওসি মনোয়ার উখিয়ায় কুতুপালং স্বর্ণ শিল্পীবৃন্দের উদ্যোগে সার্বজনীন শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে জামালপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল।

জলাবদ্ধতায় স্কুল-মসজিদে যাওয়াও দায়, দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রশাসকের

রিপোর্টারের নাম

সামান্য বৃষ্টিতেই সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড | জলাবদ্ধতায় স্কুল-মসজিদে যাওয়াও দায়, দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রশাসকের।

মোঃ জাহিদুল হক জাহিদ

সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি। সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চিত্র যেন এমনই। অল্প বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে ওয়ার্ডের প্রধান প্রধান সড়কগুলো। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওয়ার্ডের হেলালি রোড, পি এল স্কুল রোড এবং মান্নান এমপি মোড় এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি জমে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তায় কাদা ও ময়লা-আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
১০ নম্বর ওয়ার্ডের আওতায় বেশ কয়েকটি প্রাইমারি স্কুল, মসজিদ ও মাদ্রাসা রয়েছে। কিন্তু রাস্তার বেহাল দশার কারণে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে মুসল্লিদেরও পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বই-খাতা ভিজিয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে শিশুদের।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটা কোনো নতুন সমস্যা না। প্রতি বছর বর্ষা এলেই এই অবস্থা হয়। আমরা বারবার পৌর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের কাছে রাস্তা সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবি জানিয়েছি। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। এখন আমাদের আর সহ্য হচ্ছে না।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক বলেন, “১০নং ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমি অবগত আছি। এটি একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। অতি দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করে জনদুর্ভোগ লাঘব করা হবে।”

এলাকাবাসী প্রশাসকের আশ্বাসের দ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চান। তারা বলছেন, কথার চেয়ে কাজই এখন বড় প্রমাণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST