May 18, 2026, 5:04 am
শিরোনাম:
‎রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত ঠাকুরগাঁওয়ে পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ধান-১০২ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড নওগাঁর নজিপুর ও পত্নীতলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আদালতের নির্দেশে দুই আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ ব্রহ্মচারী বাবার ১৩৬তম তিরোধান স্মরণানুষ্ঠান ১৯ জৈষ্ঠ্য মুন্সিগঞ্জে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তৃণমূলে রাজনীতিবিদ নারী নেত্রীদের বার্তা। আমতলীতে স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের উদ্যোগে ৫০ অসহায় শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ নওগাঁয় বিএনপি নেতা খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরীর বাসভবনে মতবিনিময় সভা বড়াইগ্রামে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন নবীনগরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জাপানের ওকিনাওয়া কুমড়ো

ঠাকুরগাঁওয়ে পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ধান-১০২ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

রিপোর্টারের নাম

ঠাকুরগাঁওয়ে পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ধান-১০২ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

আব্দুর রাজ্জাক বাপ্পী, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের বাস্তবায়নে ও রিয়েক্টস-ইন প্রজেক্টের আওতায় পুষ্টিসমৃদ্ধ  জিংক ধান-১০২ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) ইএসডিও’র আয়োজনে ও পরিচালনায় জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের কুশারিগাঁও বাজার সংলগ্ন মাঠে কৃষক মাঠ দিবসটি অনুষ্ঠিত হয়।

মাঠ দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ভোমরাদহ ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য মোছা: ফাতেমা বেগম।

নারী সদস্য ফাতেমা বেগম তার বক্তব্যের শুরুতেই হারভেস্টপ্লাস ও ইএসডিও কে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে তিনি নিজেই জিংক ধান ব্রি ধান৭৪ এর আবাদ করেছেন এবং এই চালের ভাত তার পরিবারসহ খাবেন। তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি “জিংক ধানের ভাত খেলে পুষ্টি মেধা উভয়ই মেলে” এর বাস্তবায়ন ও প্রচারণায় কাজ করার আহ্বান জানান।

এসময় আরও বক্তব্য দেন, অত্র এলাকার উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ, কুশরিগাঁও জামে মসজিদের ইমাম মোঃ শহিদুল ইসলাম, ভেলাতৈর আদর্শ হাই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক অতুল চন্দ্র রায় ও বীজ সার ব্যবসায়ী মোঃ আলী আজম।

উক্ত কৃষক মাঠ দিবসে উপস্থিত দেরশতাধিক কৃষকের মাঝে জিংক ধানের উপকারিতা, মানব দেহে জিংকের  প্রয়োজনীয়তা, জিংক ধানের ভাত নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে জিংকের ঘাটতি মেটানো এবং জিংক ধানের বিভিন্ন জাতের বৈশিষ্ট্য সহ ব্রিধান ১০২ বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ বাবুল হক ও মোঃ জয়নাল আবেদীন এবং হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ এর রিয়েক্টস ইন প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মোঃ শাহিনুল কবির, ইএসডিও রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রজেক্ট ফোকাল কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল আলম ও পিও মোঃ মিজানুর রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


নেত্রকোনায় ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক, ঝলমলে রোদে জনমনে ফিরেছে স্বস্তি সোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা :নেত্রকোনায় গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকে রোদের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ঝলমলে রোদ। পানিও কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এতে হাওরাঞ্চলের কৃষকের মনে স্বস্তি ফিরেছে। অনেকেই কাটা ধান ও গবাদিপশুর জন্য খড় রাস্তায় ও আঙিনায় ত্রিপল বিছিয়ে রোদে শুকাতে দিয়েছেন। কেউ কেউ পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলার বাহাদুরকান্দা এলাকার কৃষক বাবুল হোসেন বলেন, ‘সোমবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত দিন ভালোই যাইতাছে। সকাল থেকে কড়া রইদ উঠছে। ভিজা কিছু ধান ও খড় সড়কে শুকাতে দিছি। এভাবে কয়েক দিন রইদ উঠলে ধান আর গরুর জন্য খড় শুকানো যাইব।’ বড়খাপন গ্রামের কৃষক জীবন সরকার বলেন, ‘গত চার দিন ভারী বৃষ্টি না থাকায় গুরাডোবা হাওরের পানি হালকা কমেছে। পরিবারের লোকজন নিয়ে পানিতে তলিয়ে যাওয়া তিন কাঠা (২৪ শতক) ধান কেটেছি। এভাবে টানা রোদ উঠলে কিছুটা হলেও আমাদের মতো কৃষকদের রক্ষা হবে।’ এদিকে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে আরও জানা গেছে,গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত নেত্রকোনার বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি হলেও ভারী বৃষ্টি হয়নি। এতে কংস ও উব্দাখালী নদীর পানি কমেছে। তবে ধনু নদের পানি খালিয়াজুরি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। অবশ্য এতে বন্যার বা হাওরের ধান খেতে কোনো প্রভাব পড়বে না। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোনায় ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। আগামী তিন দিন ভারী বৃষ্টি বা বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ধনু নদের পানি বাড়ার কারণ হলো জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ধনু নদ দিয়ে মেঘনায় প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে নেত্রকোনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, জেলায় আবাদ করা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমির মধ্যে হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিতে ১৮ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৭২ হাজার কৃষক পরিবার। তবে স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। খালিয়াজুরি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লোকমান হেকিম বলেন, হাওরে তাঁদের একমাত্র ফসলই হচ্ছে বোরো ধান। এই ধানের ওপর তাঁদের সারা বছর সংসারের খরচ নির্ভর করে। এবার অতিরিক্ত বৃষ্টিতে হাওরের অর্ধেক খেতের ধান পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। পানি আসার আগে ডিজেল–সংকটে হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা যায়নি। এরপর পানি এলে বেশি টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যায়নি। মোহনগঞ্জের খুরশিমুল গ্রামের কৃষক আলয় সরকার বলেন, ডিঙাপোতা হাওরে অনেক ধান পানির নিচে। এখন রোদ থাকলে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে। ০৭/০৫/২০২৬ ইং

Our Like Page
Developed by: BD IT HOST