May 17, 2026, 8:51 am
শিরোনাম:
বড়াইগ্রামে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন নবীনগরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জাপানের ওকিনাওয়া কুমড়ো নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে দুইশত পঞ্চাশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন গ্রেফতার রৌমারীর ৮ আশ্রয়ণ কেন্দ্র: সংস্কার নাকি স্রেফ আশ্বাস? নাসিরনগরে টানা ১২তম বারের মতো ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ পলাশ মজুমদার সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ফরিদপুরে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অস্ত্র ঠেকিয়ে চালক-প্রহরীকে বেঁধে খাল খননের এক্সকাভেটরে আগুন আমতলিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এবং জরাজীর্ণ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় দশ গ্রামের মানুষের স্বস্তি, দূর হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকদের ভোগান্তি তাহিরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামলে,পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ৭জন আটক।

বড়াইগ্রামে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন

রিপোর্টারের নাম

বড়াইগ্রামে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন

মোঃ মেহেদী হাসান, বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি:

নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল আজিজ।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ ডালিম কাজীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জুবায়ের জাহাঙ্গীর।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মাহাবুবা পারভীন, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মুন্নাফ হোসেন, বনপাড়া পৌর বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক এবিএম ইকবাল হোসেন রাজু, মিল মালিক সমিতির সেক্রেটারি কিশোর কুন্ডু, পৌর যুব দলের সভাপতি মিজানুর রহমান প্রমুখ।
খাদ্য নিয়ন্ত্রক হালিম কাজী জানান, বর্তমানে ৩৯৩.২৫০ মেট্রিক টন চাউলের মজুদ হয়েছে। চলতি বছর খাদ্য সংকট নিরসনে বোরো চাল (সিদ্ধ) ৪৯ টাকা দরে ৯২৩৮ মে: টন, বোরো ধান ৩৬ টাকা এবং ৫০০ মে: টন এবং গম ৩৬ টাকা দরে ৮২০ মে: টন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


নেত্রকোনায় ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক, ঝলমলে রোদে জনমনে ফিরেছে স্বস্তি সোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা :নেত্রকোনায় গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকে রোদের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ঝলমলে রোদ। পানিও কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এতে হাওরাঞ্চলের কৃষকের মনে স্বস্তি ফিরেছে। অনেকেই কাটা ধান ও গবাদিপশুর জন্য খড় রাস্তায় ও আঙিনায় ত্রিপল বিছিয়ে রোদে শুকাতে দিয়েছেন। কেউ কেউ পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলার বাহাদুরকান্দা এলাকার কৃষক বাবুল হোসেন বলেন, ‘সোমবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত দিন ভালোই যাইতাছে। সকাল থেকে কড়া রইদ উঠছে। ভিজা কিছু ধান ও খড় সড়কে শুকাতে দিছি। এভাবে কয়েক দিন রইদ উঠলে ধান আর গরুর জন্য খড় শুকানো যাইব।’ বড়খাপন গ্রামের কৃষক জীবন সরকার বলেন, ‘গত চার দিন ভারী বৃষ্টি না থাকায় গুরাডোবা হাওরের পানি হালকা কমেছে। পরিবারের লোকজন নিয়ে পানিতে তলিয়ে যাওয়া তিন কাঠা (২৪ শতক) ধান কেটেছি। এভাবে টানা রোদ উঠলে কিছুটা হলেও আমাদের মতো কৃষকদের রক্ষা হবে।’ এদিকে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে আরও জানা গেছে,গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত নেত্রকোনার বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি হলেও ভারী বৃষ্টি হয়নি। এতে কংস ও উব্দাখালী নদীর পানি কমেছে। তবে ধনু নদের পানি খালিয়াজুরি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। অবশ্য এতে বন্যার বা হাওরের ধান খেতে কোনো প্রভাব পড়বে না। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোনায় ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। আগামী তিন দিন ভারী বৃষ্টি বা বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ধনু নদের পানি বাড়ার কারণ হলো জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ধনু নদ দিয়ে মেঘনায় প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে নেত্রকোনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, জেলায় আবাদ করা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমির মধ্যে হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিতে ১৮ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৭২ হাজার কৃষক পরিবার। তবে স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। খালিয়াজুরি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লোকমান হেকিম বলেন, হাওরে তাঁদের একমাত্র ফসলই হচ্ছে বোরো ধান। এই ধানের ওপর তাঁদের সারা বছর সংসারের খরচ নির্ভর করে। এবার অতিরিক্ত বৃষ্টিতে হাওরের অর্ধেক খেতের ধান পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। পানি আসার আগে ডিজেল–সংকটে হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা যায়নি। এরপর পানি এলে বেশি টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যায়নি। মোহনগঞ্জের খুরশিমুল গ্রামের কৃষক আলয় সরকার বলেন, ডিঙাপোতা হাওরে অনেক ধান পানির নিচে। এখন রোদ থাকলে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে। ০৭/০৫/২০২৬ ইং

Our Like Page
Developed by: BD IT HOST