October 21, 2026, 4:24 am
শিরোনাম:
গাজীপুর জেলা পরিষদ কতৃক দুস্হ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ কালিয়াকৈরে শারদীয় দুর্গাপূজার মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেন, আরিফা সুলতানা রুমা এমপি রামপালে রাতের আঁধারে সড়কে ঢালাই, স্থানীয়দের বাধায় কাজ বন্ধ জামালপুরে অসহায় ও হতদরিদ্রদের পরিবারের মাঝে ২০ টি অটো রিকসা বিতরন বিজয়নগরে মাদ্রাসার দপ্তরি কারাগারে বিজয়নগরের সাপুটিয়া বিলে মাছ লুটের অভিযোগ। ইজারাদারের দাবি, প্রতিবছর ১২ লাখ টাকা রাজস্ব দিয়েও লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে ফরিদপুরে নেশার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মিছমেথুইর কালী ও দুর্গা মন্দিরে ধুমধামে শারদীয় দুর্গোৎসব

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা: শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন।। স্বামী খালাস

রিপোর্টারের নাম

কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যা: শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন।। স্বামী খালাস

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে তার শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে এ মামলার অপর আসামি নিহতের স্বামী আবদুল মতিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. শামছুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নিহত মরিয়ম বেগমের শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম উদ্দিন।
আদালত সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়- ২০০৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পারিবারিক কলহের জেরে নাঙ্গলকোট উপজেলার ছফুয়া গ্রামের গৃহবধূ মরিয়ম বেগমকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা মো. সোলেমান বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিন, শ্বশুর আবদুল মমিন, দেবর নিজাম উদ্দিন ও শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। পরে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলার নথিপত্র, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে শ্বশুর আবদুল মমিন, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও দেবর মো. নিজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই মামলায় মরিয়মের স্বামী আবদুল মতিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকরাম হোসেন এবং নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ের মাধ্যমে মরিয়মের হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST