মানবতার ফেরিওয়ালা মামুন বিশ্বাস: সিরাজগঞ্জের গর্ব, অসহায় মানুষের আলোর দিশারী
বিশেষ প্রতিবেদন:
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও মানবতার অনবদ্য প্রতীক মামুন বিশ্বাস। সমাজের অবহেলিত, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের কাছে তিনি আজ এক আশার নাম, এক নির্ভরতার প্রতীক। নিজের দায়বদ্ধতা ও সীমাহীন মানবিক বোধ থেকে তিনি বছরের পর বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে চলেছেন।
অসহায় মানুষের পাশে সর্বদা প্রদীপ হয়ে:
দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত জটিল রোগী, নিখোঁজ হওয়া স্বজন, অর্থভাবে পড়াশোনা বন্ধ হতে বসা দরিদ্র শিক্ষার্থী কিংবা টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা অসহায় পরিবার—সবার জন্যই মামুন বিশ্বাস যেন এক আশীর্বাদ। কোনো স্থানে কেউ চরম বিপদে পড়েছেন বা অর্থাভাবে চিকিৎসা পাচ্ছেন না খবর পেলেই তিনি ছুটে যান সেই প্রান্তে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নিজের মানবিক প্রচেষ্টাকে কাজে লাগিয়ে তিনি কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছেন এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহ করে বহু মানুষের প্রাণের রক্ষা করেছেন।
পাখিদের বন্ধু ও পরিবেশরক্ষা:
শুধু মানুষের সেবাই নয়, প্রকৃতির অবোধ প্রাণীদের প্রতিও তার রয়েছে অগাধ ভালোবাসা। বন্যপ্রাণী ও পাখি রক্ষায় তিনি কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। শিকারিদের হাত থেকে পাখি উদ্ধার করা, তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া এবং গাছে গাছে পাখির জন্য নিরাপদ আবাস্থল ও মাটির হাড়ি বেঁধে দেওয়ার জন্য তাকে অনেকেই ‘পাখিবন্ধু’ নামে ডেকে থাকেন।
একনিষ্ঠ সমাজসেবা ও অনুপ্রেরণা:
নিজস্ব কোনো বড় প্রাতিষ্ঠানিক ফান্ডের ওপর নির্ভর না করে কেবল ইচ্ছা শক্তি ও সততাকে পুঁজি করে এত বড় বড় সামাজিক কাজ করা সত্যিই বিরল। তরুণ সমাজের কাছে মামুন বিশ্বাস এখন এক অনন্য দৃষ্টান্ত। নিজের স্বার্থ বা প্রচারের উদ্দেশ্যে নয়, বরং মানবকল্যাণ ও আত্মতৃপ্তির জন্যই তিনি প্রতিদিন ভোর থেকে রাত অবধি কাজ করে যাচ্ছেন।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের এই কৃতি সন্তান প্রমাণ করেছেন যে, সদিচ্ছা ও সহানুভূতি থাকলে একক প্রচেষ্টাতেও সমাজের চিত্র বদলে দেওয়া সম্ভব। তার এই নিঃস্বার্থ মানবিক কর্মকাণ্ড সর্বস্তরের মানুষের মাঝে প্রশংসিত হচ্ছে এবং সমাজকে আরও সুন্দর করার পথ দেখাচ্ছে।