May 19, 2026, 6:47 am
শিরোনাম:
সিরাজগঞ্জ তালগাছী ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক হেলালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ জামায়াত কর্মীর পরকীয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য ভেড়ামারায় তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিলেন লালপুর থানা পুলিশের এএসআই রায়হান ফেরদৌস ভেজাল দুধ তৈরি অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক বছরের জেল বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত খান মরিচ ইউনিয়নের দাসমরিজ গ্রামের জামাত কর্মী পরকীয়ায় আটক ‎রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত ঠাকুরগাঁওয়ে পুষ্টিসমৃদ্ধ জিংক ধান-১০২ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড নওগাঁর নজিপুর ও পত্নীতলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

জামায়াত কর্মীর পরকীয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য

রিপোর্টারের নাম

জামায়াত কর্মীর পরকীয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য

রিপোর্টারঃ শামীম আহমেদ, পাবনা

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের দাসমরিচ গ্রামে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীকে পরকীয়ার অভিযোগে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন দাসমরিচ গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. জাহিদুল ইসলাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দিনের বেলায় উধুনিয়া ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী খাড়িয়া গ্রামের একটি বাড়িতে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় তাকে দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। পরে বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে জড়ো হয় এবং জাহিদুল ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই নারীর সঙ্গে জাহিদুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন ছিল। তবে এবার স্থানীয়রা তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলায় ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এ সময় এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম স্থানীয়ভাবে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিভিন্ন ধর্মীয় সভা, সামাজিক কার্যক্রম ও দলীয় কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ফলে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, উভয় পরিবারের সদস্য এবং দলীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত করা হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় এখনও আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে মো. জাহিদুল ইসলামের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ধর্মীয় ও নৈতিকতার কথা বলা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তরুণ সমাজের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে দেয়। তবে অন্য একটি পক্ষ বলছে, সঠিক তদন্ত ছাড়া কাউকে চূড়ান্তভাবে দোষী বলা উচিত নয়।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গেছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST