ইসলাম ধর্মের খুঁটি কয়টি?
রিপোর্টারঃ শামীম আহমেদ, পাবনা।
উত্তর: ইসলাম দুই প্রকার। যথা, ধনীদের ইসলাম ও গরিবের ইসলাম। ধনীদের ইসলামের খুঁটি পাঁচটি: ইমান, নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত। গরিবের ইসলামের খুঁটি তিনটি: ইমান, নামাজ, রোজা। ধনীদের ইসলামে খুঁটি ছাড়াও রয়েছে কুরবানি, দান, সদকা, ফিতরার মতো এডিশনাল খুঁটি। গরিবের ইসলামে এসব নাই।
প্রশ্ন: জামাতে নামাজ পড়া কি ওয়াজিব?
উত্তর: ইসলাম দুই প্রকার। যথা, পুরুষের ইসলাম ও নারীর ইসলাম। পুরুষের ইসলামে জামাতে নামাজ পড়া ওয়াজিব। নারীর ইসলামে জামাতে নামাজ পড়া ওয়াজিব নয়। পুরুষের ইসলামে বিবাহ চারটি কিংবা ততোধিক। নারীর ইসলামে বিবাহ ১টি। পুরুষের ইসলামে পর্দা নাই, নারীর ইসলামে পর্দা ওয়াজিব। সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রে নারী পুরুষের অর্ধেক কিন্তু নামাজ রোজা অর্ধেক না। তদুপরি জাহান্নামের বেশিরভাগ সদস্য হবে নারী। যদিও, মাতার পদতলে সন্তানের জান্নাত।
প্রশ্ন: টাখনুর নিচে কাপড় পরা কি জায়েজ?
উত্তর: ইসলাম দুই প্রকার। যথা, শীতকালের ইসলাম ও গ্রীষ্মকালের ইসলাম। গ্রীষ্মকালে টাখনুর নিচে কাপড় পরা জায়েজ নয়। শীতকালে টাখনুর নিচে কাপড় পরা জায়েজ।
প্রশ্ন: মুর্শিদ ছাড়া কি ইসলাম সম্ভব না?
উত্তর: ইসলাম দুই প্রকার। যথা, সৌদী ইসলাম ও ইরানী ইসলাম। সৌদী ইসলাম মুর্শিদ দ্বারা সম্ভব না। ইরানী ইসলাম মুর্শিদ ছাড়া সম্ভব না।
প্রশ্ন: নামাজ ও পর্দা এই দুটি বিষয় নিয়ে সমাজে অনেক মতভেদ দেখা যাচ্ছে। এই সম্বন্ধে আপনার কাছে বিস্তারিত জানতে চাই।
উত্তর: আগে বলো, তুমি কোন ইসলামে বিশ্বাস কর- সুফি ইসলামে, নাকি ওহাবি ইসলামে?
প্রশ্ন: এটি আবার কি? এখানেও বিভাজন? আল্লাহ এক, নবি এক, ইসলামে এতো ভাগ করলো কারা?
উত্তর: মোল্লা, পুরোহিতরা। এইজন্যই আমি এই সম্বন্ধে কিছু বলি না। ইসলাম সম্বন্ধে সবাই, সবকিছু জেনে গেছে। দারোয়ানও ঐদিন কুরবানির হাকিকত বুঝাচ্ছিল- পশুর রক্ত জমিনে পড়ার আগেই আল্লাহর নিকট কবুল হয়ে যায়; কোরবানির পশুর প্রত্যেকটি পশমের জন্য একটি করে সওয়াব রয়েছে ইত্যাদি, ইত্যাদি; সারাদিন মোবাইলে ওয়াজ শুনে তো, অ-নে-ক জানে! আমি চুপ থেকে তার বয়ান শুনেছি। তুমিও চুপ থাকো। মনে রেখো, তুমি যা বলবে, তারই বিরোধিতা করার জন্য একটি দল প্রস্তুত আছে। দলাদলি ভালো না! যদি প্রকৃতই বুঝতে চাও, অন্বেষণ কর-“নিজের মধ্যে”। অনুমান করি, ১শতাংশ মানুষ ধর্ম বুঝতে চায়। তাদের মধ্যে ১শতাংশ সঠিক বুঝটি নিতে পারে। তাদের মধ্যে ১শতাংশ যা বুঝে তা করে। তাদের মধ্যে ১শতাংশ লক্ষ্যে পৌঁছে। ৯৯শতাংশ মানুষ, যারা বুঝতেই চায় না, তারাই শাস্ত্রের উল্টা-পাল্টা ব্যাখা ও ফতোয়া দিয়ে বিভেদ তৈরী করে এবং নতুন-নতুন দল গঠন করে। কারণ, দলাদলি ছাড়া ধর্মব্যবসা জমে না।