May 14, 2026, 12:27 pm
শিরোনাম:
ডিমলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রশিক্ষণে অনিয়মের অভিযোগ নবীনগরে র‍্যাবের উপর হামলা-কান ধরানোর ঘটনায় নারীসহ ৫জন গ্রেফতার দোহারে ৪৩২ টন ধান সংগ্রহ করবে সরকার – এমপি আবু আশফাক আনন্দ-উৎসবে শেষ হলো সিংড়ার ঐতিহ্যবাহী বিয়াশ জামাই মেলা কালীগঞ্জ মডেল মসজিদ পরিদর্শন করলেন নির্বাহী অফিসার এটিএম কামরুল ইসলাম বদলগাছীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকাসক্ত যুবককে ৪ মাসের কারাদণ্ড কক্সবাজার খুরুশকুল পুলিশের ঘোনা এলাকায় নয়ন সাধু হত্যাকারী দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও কর্মসূচী ঘোষণা নরসিংদীর শিবপুরে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন। আইন পেশায় সফলতার দশ পেরিয়ে একাদশ বর্ষে পদার্পণ করেছেন এড. তাপস নেত্রকোনায় খাস কালেকশনের টাকা হাতে নিয়ে সাইবার বুলিংয়ের শিকার ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা

বদলগাছীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকাসক্ত যুবককে ৪ মাসের কারাদণ্ড

রিপোর্টারের নাম

বদলগাছীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকাসক্ত যুবককে ৪ মাসের কারাদণ্ড

মোঃ সারোয়ার হোসেন অপু
জেলা প্রতিনিধি, নওগাঁঃ
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা ভান্ডারপুর বাজারে মাদক সেবনের দায়ে মো: রেজাউল হোসেন নামে এক যুবককে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনি ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ রায় প্রদান করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভান্ডারপুর বাজার এলাকায় মো: রেজাউল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করে আসছিল, এর ফলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল। বুধবার সকাল ১১টায় সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন এবং হাতেনাতে আটক করে তাঁকে। সে অপরাধ অকপটে স্বীকার করলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তাকে শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়।
এবিষয়ে নির্বাহী অফিসার বলেন,
মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রয়েছে। অভিযুক্ত যুবক প্রকাশ্যে মাদক সেবন করে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করছিল। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।এলাকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদক নির্মূলে এধরণের অভিযান আমাদের অব্যাহত থাকবে।
বদল গাছী থানা পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ভান্ডারপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ বাসিন্দারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


নেত্রকোনায় ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক, ঝলমলে রোদে জনমনে ফিরেছে স্বস্তি সোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা :নেত্রকোনায় গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকে রোদের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ঝলমলে রোদ। পানিও কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এতে হাওরাঞ্চলের কৃষকের মনে স্বস্তি ফিরেছে। অনেকেই কাটা ধান ও গবাদিপশুর জন্য খড় রাস্তায় ও আঙিনায় ত্রিপল বিছিয়ে রোদে শুকাতে দিয়েছেন। কেউ কেউ পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলার বাহাদুরকান্দা এলাকার কৃষক বাবুল হোসেন বলেন, ‘সোমবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত দিন ভালোই যাইতাছে। সকাল থেকে কড়া রইদ উঠছে। ভিজা কিছু ধান ও খড় সড়কে শুকাতে দিছি। এভাবে কয়েক দিন রইদ উঠলে ধান আর গরুর জন্য খড় শুকানো যাইব।’ বড়খাপন গ্রামের কৃষক জীবন সরকার বলেন, ‘গত চার দিন ভারী বৃষ্টি না থাকায় গুরাডোবা হাওরের পানি হালকা কমেছে। পরিবারের লোকজন নিয়ে পানিতে তলিয়ে যাওয়া তিন কাঠা (২৪ শতক) ধান কেটেছি। এভাবে টানা রোদ উঠলে কিছুটা হলেও আমাদের মতো কৃষকদের রক্ষা হবে।’ এদিকে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে আরও জানা গেছে,গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত নেত্রকোনার বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি হলেও ভারী বৃষ্টি হয়নি। এতে কংস ও উব্দাখালী নদীর পানি কমেছে। তবে ধনু নদের পানি খালিয়াজুরি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। অবশ্য এতে বন্যার বা হাওরের ধান খেতে কোনো প্রভাব পড়বে না। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোনায় ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। আগামী তিন দিন ভারী বৃষ্টি বা বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ধনু নদের পানি বাড়ার কারণ হলো জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ধনু নদ দিয়ে মেঘনায় প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে নেত্রকোনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, জেলায় আবাদ করা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমির মধ্যে হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিতে ১৮ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৭২ হাজার কৃষক পরিবার। তবে স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। খালিয়াজুরি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লোকমান হেকিম বলেন, হাওরে তাঁদের একমাত্র ফসলই হচ্ছে বোরো ধান। এই ধানের ওপর তাঁদের সারা বছর সংসারের খরচ নির্ভর করে। এবার অতিরিক্ত বৃষ্টিতে হাওরের অর্ধেক খেতের ধান পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। পানি আসার আগে ডিজেল–সংকটে হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা যায়নি। এরপর পানি এলে বেশি টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যায়নি। মোহনগঞ্জের খুরশিমুল গ্রামের কৃষক আলয় সরকার বলেন, ডিঙাপোতা হাওরে অনেক ধান পানির নিচে। এখন রোদ থাকলে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে। ০৭/০৫/২০২৬ ইং

Our Like Page
Developed by: BD IT HOST