May 15, 2026, 12:41 pm
শিরোনাম:
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ফরিদপুরে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অস্ত্র ঠেকিয়ে চালক-প্রহরীকে বেঁধে খাল খননের এক্সকাভেটরে আগুন আমতলিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এবং জরাজীর্ণ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় দশ গ্রামের মানুষের স্বস্তি, দূর হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকদের ভোগান্তি তাহিরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামলে,পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ৭জন আটক। ওয়ার্ল্ড ভিশনের ফাইভ জিরো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিকনির্দেশনামূলক সভা ডিমলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রশিক্ষণে অনিয়মের অভিযোগ নবীনগরে র‍্যাবের উপর হামলা-কান ধরানোর ঘটনায় নারীসহ ৫জন গ্রেফতার দোহারে ৪৩২ টন ধান সংগ্রহ করবে সরকার – এমপি আবু আশফাক আনন্দ-উৎসবে শেষ হলো সিংড়ার ঐতিহ্যবাহী বিয়াশ জামাই মেলা

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো

রিপোর্টারের নাম

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বায়িত্বহীনতায় ধ্বংসের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো

মো: জাহিদুল হক জাহিদ : সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দুপুর গড়াতেই অনেককে বিদ্যালয় ত্যাগে ব্যস্ত হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে, দিঘুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টা ৪৮ মিনিটে এবং বেলকুচি পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩টা ১০ মিনিটে বন্ধ করে শিক্ষক-শিক্ষিকারা মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব বিদ্যালয়ে প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই পাঠদান কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষকরা বাড়ি চলে যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এমন অনিয়ম চলে আসছে। দুপুরে নামাজের পরপরই অনেক শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।

একজন স্থানীয় অভিভাবক বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিচালিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষকরা কখন আসেন, কখন যান—তা আমরা ঠিকমতো জানি না। তবে দুপুরের পর থেকেই বিদ্যালয় বন্ধ দেখতে পাই।”

একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জানায়, “আমি আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তাম। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ায় এখন মাদ্রাসায় পড়ি।”

অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখনই শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলবো এবং বিষয়টি তদন্ত করে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মনিটরিং বাড়ানো হলে এমন অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে এবং শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পাঠদান সুবিধা পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST