August 5, 2026, 5:31 pm
শিরোনাম:
ভাঙা ঘরেই বিধবা সুখিতনের একাকী জীবন, নেই স্বামী- স্বজন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে রাঙ্গামাটিতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল পঞ্চগড়ে ৪ জন স্ত্রীর থাকার পর আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আটক জামায়াতের নেতা নওগাঁর মান্দা উপজেলার আত্রাই নদী থেকে আতিকুর রহমান নামে এক যুবকের মৃত্যুদেহ উদ্ধার কুমিল্লা ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের প্রাণবন্ত চা-চক্র ও বর্ষার খিচুড়ি আড্ডা সৌহার্দ্য, সংস্কৃতি ও ভালোবাসার অনন্য মিলনমেলা এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা বারে মানববন্ধন হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, সন্ত্রাসীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা না করার আহ্বান এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা বারে মানববন্ধন কুমিল্লা ধর্মসাগর পাড় মঞ্চের প্রাণবন্ত চা-চক্র ও বর্ষার খিচুড়ি আড্ডা সিরাজগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। জনগণের আস্থা ও অংশীদারিত্বেই গড়ে উঠবে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক পোনাবালিয়া” — এ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন

ভাঙা ঘরেই বিধবা সুখিতনের একাকী জীবন, নেই স্বামী- স্বজন

রিপোর্টারের নাম

ভাঙা ঘরেই বিধবা সুখিতনের একাকী জীবন, নেই স্বামী- স্বজন

মোঃ জাহিদুল হক জাহিদ সিরাজগঞ্জ:
স্বামী নেই, সন্তানও নেই। জীবনের শেষ বয়সে এসে ভাঙাচোরা ঘরই সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হরিণাহাটা গ্রামের বিধবা সুখিতনের একমাত্র আশ্রয়। বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতর পানি পড়ে, ঝড় এলে কাটে আতঙ্কে রাত। নিরাপদ একটি ঘরের আকুতি নিয়ে মানুষের সহযোগিতার অপেক্ষায় দিন কাটছে অসহায় এই নারীর।
স্থানীয় সূত্র ও সুখিতনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মৃত মহেজ উদ্দিনের স্ত্রী সুখিতন দীর্ঘদিন ধরে একাকী জীবনযাপন করছেন। স্বামীকে হারিয়েছেন অনেক আগেই। নেই কোনো ছেলে সন্তানও। আপনজন বলতে তেমন কেউ না থাকায় নিজের কষ্ট নিজেকেই সামলাতে হচ্ছে তাকে।
সুখিতনের বসতঘরটির অবস্থাও অত্যন্ত জরাজীর্ণ। ঘরের বেড়া ও ছাউনি নষ্ট হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাউনি দিয়ে পানি পড়ে ঘরের ভেতর। বর্ষাকালে ভেজা মেঝে ও বিছানায় কষ্ট করে থাকতে হয় তাকে। ঝড়-বৃষ্টির সময় ঘরের কোনো অংশ ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্কে রাত কাটাতে হয়।
অভাব-অনটনের কারণে ঘরটি মেরামত করাও সম্ভব হচ্ছে না সুখিতনের। বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় আগের মতো কাজ করার সামর্থ্যও নেই। দৈনন্দিন খাবার ও প্রয়োজনীয় খরচ জোগাড় করতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে একটি নতুন ঘর নির্মাণ তার কাছে যেন অধরা স্বপ্ন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুখিতন বলেন, “স্বামী নেই, ছেলে সন্তানও নেই। এই ভাঙা ঘরেই কষ্ট করে থাকি। বৃষ্টি হলে ঘরের মধ্যে পানি পড়ে। কেউ যদি আমাকে একটা ভালো ঘর করে দিত, তাহলে শেষ বয়সে একটু শান্তিতে থাকতে পারতাম।”
সুখিতনের চাওয়া খুব বেশি নয়। জীবনের শেষ সময়টুকু নিরাপদে কাটানোর জন্য চান শুধু একটি থাকার উপযোগী ঘর। তার এই অসহায়ত্বে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে এলে শেষ বয়সে একটু স্বস্তি ফিরতে পারে তার জীবনে।
ভাঙা ঘরের প্রতিটি দিন যেন সুখিতনের কাছে এক নতুন সংগ্রাম। তাই তার নিরাপদ আশ্রয়ের আকুতি এখন মানবিক সহযোগিতার অপেক্ষায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST