August 11, 2026, 2:58 pm
শিরোনাম:
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ায় স্টক করে শিক্ষার্থীর মৃত্যু যাদুকাটা নদীর মিয়ারচর ঘাটে টোল বিরোধ, মানববন্ধনের পর সাময়িক সমাধান এসএসসিতে আওয়ার লেডি অব ফাতিমা গার্লস হাই স্কুলের শতভাগ সাফল্য ১৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯০ জন পাবনা ভাঙ্গুরা মাদারবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬: সমেশপুর বাজারে হাটের দিনে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বাবার স্বপ্ন পূরণ করেছেন, কিন্তু সেই সুখের মুহূর্ত দেখাতে পারেননি বাবাকে—কুমিল্লা আদালত অঙ্গনের পরিচিত মুখ অ্যাড. তাপস চন্দ্র সরকার ভেদভেদীতে পাহাড় ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের খাদ্য সহায়তা কুমিল্লা ছাতিপট্টি নৃসিংহ মন্দিরে কাল থেকে ৩ দিনব্যাপী হরিকথা মহোৎসব হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে হেযবুত তওহীদের আখাউড়ায় ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেফতার

পাবনা ভাঙ্গুরা মাদারবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬:

রিপোর্টারের নাম

পাবনা ভাঙ্গুরা মাদারবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬:

নিজস্ব প্রতিবেদন

পাসের হার মাত্র ৬০%, জিপিএ-৫ মাত্র দুইজন
পাবনা জেলার ভাঙ্গুরা উপজেলার মাদারবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের (EIIN: ১২৫৩৪১) ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রকাশিত এই ফলাফলে স্কুলটির পারফরম্যান্স আশানুরূপ হয়নি।
বোর্ডের অফিসিয়াল রেজাল্ট শিট অনুযায়ী, এবার স্কুল থেকে মোট ৭১ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিলেন। এর মধ্যে ৭০ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। পাস করেছেন ৪২ জন। পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬০.০০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ২ জন।
হিউম্যানিটিজ ও সায়েন্স গ্রুপের রোল নম্বরসহ বিস্তারিত ফলাফল শিটে উল্লেখ রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীর গ্রেড পয়েন্ট কম এবং কিছু রোলে ফেল মার্ক দেখা গেছে।
জাতীয় পর্যায়ে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার প্রায় ৬২.২৫ শতাংশ। সেই তুলনায় মাদারবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০ শতাংশ পাসের হার সামান্য নিচে। জিপিএ-৫ অর্জনকারীর সংখ্যাও খুবই কম।
স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ও অভিভাবকদের দাবি, গত কয়েক বছর ধরে (২০২০ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত) এই স্কুলের এসএসসি রেজাল্ট ধারাবাহিকভাবে দুর্বল থাকছে। কোনো কোনো বছরে পাসের হার আরও নিচে নেমেছে।তিনটি বিষয়ের শিক্ষার মান, শিক্ষকদের লেখাপড়া করানো সংকট, অবকাঠামো ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবকে এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে।
স্কুলটি ভাঙ্গুরা উপজেলার একটি গ্রামীণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়রা বলছেন, ভালো ফলের জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি। অন্যথায় আগামী বছরগুলোতেও একই ধরনের ফলাফল দেখতে হতে পারে।
২০২৬ সালের এই ফল স্কুল কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। উন্নতির জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST