May 11, 2026, 11:45 am
শিরোনাম:
হিলিতে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রতিবাদী মানববন্ধন সংকটে ধুঁকছে দোহারের প্রাচীনতম জামালচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রাজশাহীতে ১১ দিন হলো নিখোঁজ স্কুলছাত্রী সিংড়ায় কচু চাষে সফল দুই বাল্যবন্ধু সাতক্ষীরা পশ্চিম সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে এক মৌয়াল আহত অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণে অভিযোগ – ব্যবস্থা নেওয়ার কোন আশ্বাস নেই কর্তৃপক্ষের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভয়াবহ ফাটল, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার মানুষের জনপদ কুষ্টিয়ার সীমান্তে মাইকিং করে বিজিবির সতর্কতা জারি লালপুরে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকিং চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার, ৯ মোবাইলসহ সাইবার প্রতারণা মামলা দায়ের সন্তানদের জীবন বাঁচাতে বাবা-মায়ের অমর ত্যাগ

সিংড়ায় কচু চাষে সফল দুই বাল্যবন্ধু

রিপোর্টারের নাম

সিংড়ায় কচু চাষে সফল দুই বাল্যবন্ধু

মোঃ ইব্রাহিম আলী,সিংড়া,(নাটোর)প্রতিনিধি:নাটোরের সিংড়া উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের আয়েশ গ্রামের দুই বাল্যবন্ধু মোঃ রফিকুল ইসলাম ও শামসুল ইসলাম। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পাশাপাশি কৃষিকাজেও গড়ে তুলেছেন সফলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। বাড়ির পাশের পাশাপাশি জমিতে গত সাত বছর ধরে তারা করে আসছেন কচু চাষ। অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এখন তারা এলাকায় আদর্শ কচু চাষি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
জানা গেছে, শামসুল ইসলাম ৩৩ শতাংশ এবং রফিকুল ইসলাম ১৬ শতাংশ জমিতে কচু চাষ করেছেন। শুরুতে লাভের পরিমাণ কম থাকলেও কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় এখন তাদের কচু চাষ লাভজনক হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে কথা হলে দুই চাষি জানান, কচু চাষে নিয়মিত পরিচর্যা ও পরিশ্রম করতে পারলে ভালো আয় করা সম্ভব। প্রতি বিঘা জমিতে লিজসহ মোট খরচ হয় প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা। তবে কচুর লতি ও কাঠ কচু বিক্রি করে আয় হয় দেড় লাখ থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বিঘায় লাভ থাকে প্রায় এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা।
তারা আরও জানান, সাধারণত প্রতি বছর কচুর লতি বিক্রির টাকাতেই উৎপাদন খরচ উঠে আসে। পরবর্তীতে কাঠ কচু বিক্রি করে যে অর্থ পাওয়া যায়, সেটিই মূল লাভ। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৪ হাজার পিস কাঠ কচু উৎপাদন হয়। বাজারে প্রতিটি কাঠ কচু ৩০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় সেখান থেকেই লাভের বড় অংশ আসে।
তবে বাজারে সবজির দামের ওঠানামার কারণে লাভের হিসাব কিছুটা কমবেশি হয় বলেও জানান তারা।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, আধুনিক পদ্ধতিতে কচু চাষ করে রফিকুল ও শামসুল এলাকায় অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করছেন। কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শ ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে কচু চাষ আরও লাভজনক হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


নেত্রকোনায় ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক, ঝলমলে রোদে জনমনে ফিরেছে স্বস্তি সোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা :নেত্রকোনায় গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পর সোমবার সকাল থেকে রোদের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ঝলমলে রোদ। পানিও কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এতে হাওরাঞ্চলের কৃষকের মনে স্বস্তি ফিরেছে। অনেকেই কাটা ধান ও গবাদিপশুর জন্য খড় রাস্তায় ও আঙিনায় ত্রিপল বিছিয়ে রোদে শুকাতে দিয়েছেন। কেউ কেউ পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলার বাহাদুরকান্দা এলাকার কৃষক বাবুল হোসেন বলেন, ‘সোমবার সকাল থেকে এখন পর্যন্ত দিন ভালোই যাইতাছে। সকাল থেকে কড়া রইদ উঠছে। ভিজা কিছু ধান ও খড় সড়কে শুকাতে দিছি। এভাবে কয়েক দিন রইদ উঠলে ধান আর গরুর জন্য খড় শুকানো যাইব।’ বড়খাপন গ্রামের কৃষক জীবন সরকার বলেন, ‘গত চার দিন ভারী বৃষ্টি না থাকায় গুরাডোবা হাওরের পানি হালকা কমেছে। পরিবারের লোকজন নিয়ে পানিতে তলিয়ে যাওয়া তিন কাঠা (২৪ শতক) ধান কেটেছি। এভাবে টানা রোদ উঠলে কিছুটা হলেও আমাদের মতো কৃষকদের রক্ষা হবে।’ এদিকে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে আরও জানা গেছে,গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত নেত্রকোনার বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি হলেও ভারী বৃষ্টি হয়নি। এতে কংস ও উব্দাখালী নদীর পানি কমেছে। তবে ধনু নদের পানি খালিয়াজুরি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। অবশ্য এতে বন্যার বা হাওরের ধান খেতে কোনো প্রভাব পড়বে না। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোনায় ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। আগামী তিন দিন ভারী বৃষ্টি বা বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ধনু নদের পানি বাড়ার কারণ হলো জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ধনু নদ দিয়ে মেঘনায় প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে নেত্রকোনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, জেলায় আবাদ করা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমির মধ্যে হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিতে ১৮ হাজার ১৭৫ হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৭২ হাজার কৃষক পরিবার। তবে স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। খালিয়াজুরি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লোকমান হেকিম বলেন, হাওরে তাঁদের একমাত্র ফসলই হচ্ছে বোরো ধান। এই ধানের ওপর তাঁদের সারা বছর সংসারের খরচ নির্ভর করে। এবার অতিরিক্ত বৃষ্টিতে হাওরের অর্ধেক খেতের ধান পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। পানি আসার আগে ডিজেল–সংকটে হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা যায়নি। এরপর পানি এলে বেশি টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যায়নি। মোহনগঞ্জের খুরশিমুল গ্রামের কৃষক আলয় সরকার বলেন, ডিঙাপোতা হাওরে অনেক ধান পানির নিচে। এখন রোদ থাকলে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে। ০৭/০৫/২০২৬ ইং

Our Like Page
Developed by: BD IT HOST