বিজয়নগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে শিক্ষক আলামিনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগ
রিপোর্টারের নাম
আপডেট সময়:
Friday, August 28, 2026
/
20 Time View
/
Share
বিজয়নগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে শিক্ষক আলামিনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগ
শফিকুর রহমান শাহীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে শিক্ষক এস এম আলামিনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহের জন্য গেলে শিক্ষক আলামিন তাদের বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, বিদ্যালয়ে প্রবেশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে আসতে হবে; অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয়ে প্রবেশের সুযোগ নেই।
সাংবাদিকরা এ বিষয়ে কোনো আইন, বিধি বা হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে তিনি এমন কথা বলছেন জানতে চাইলে ভিডিও বক্তব্যে শিক্ষক আলামিন বলেন এ আইন জেহান থেকে মন ধরে সেখান থেকে পেয়েছেন ।
বলে অভিযোগ রয়েছে। বরং তিনি কোথা থেকে এ বিধান পেয়েছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে অস্পষ্ট ও অসৌজন্যমূলক বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ করেছেন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আইনসমূহের তালিকায় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন-১৯৯০’ ও ‘জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০’ রয়েছে। তবে প্রকাশ্য সরকারি তথ্যসূত্রে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ কিংবা কেবল কর্মকর্তার পূর্বানুমতি নিয়েই প্রবেশ করতে হবে—এমন সুনির্দিষ্ট বিধান পাওয়া যায়নি।
এছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রকাশ্য অনলাইন তথ্য ও কার্যতালিকা পর্যালোচনা করেও সাংবাদিকদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো হাইকোর্টের রুল বা নিষেধাজ্ঞা নিশ্চিত করা যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, কোনো আইন বা আদালতের আদেশের কথা উল্লেখ করলে তার সুনির্দিষ্ট সূত্র সংশ্লিষ্টদের সামনে উপস্থাপন করা উচিত। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে একজন সরকারি শিক্ষকের আচরণ পেশাদার ও শালীন হওয়া প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।
অভিযোগের বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে যাচাই করে শিক্ষক আলামিন সত্যিই কোনো সরকারি বিধি বা আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বর্ণজিৎ দেব বলেন সে অসংলগ্ন কথা বলেছে এ বিষয়ে আমি খোঁজখবর নিচ্ছি।
শফিকুর রহমান শাহীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া 01717490756