August 4, 2026, 3:18 am
শিরোনাম:
সিরাজগঞ্জ রিকশা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: মনোনয়ন বিতরণ শুরু, ২১ আগস্ট ভোট। লংগদুতে গণঅধিকার পরিষদের উপজেলা কার্যালয়ের উদ্বোধন ও কমিটি গঠন সিংড়ায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে মাছ ব্যবসায়ী নিহত, আহত-১ ​নওগাঁয় “বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু অসহায় মানুষের ভরসার নাম আমতলীর তরুণ রিয়াজুল ইসলাম স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের মাধ্যমে মানবতার সেবায় নিরলস পথচলা; অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে ফোটাচ্ছেন হাসি নবীনগরে উচ্ছেদকৃত অসহায় হকার-ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের পূর্নবাসনের আর্জি স্থানিয় এমপি-চেয়ারম্যানের কাছে কুমিল্লা ধর্মসাগর পাড়ে সুর, সৌহার্দ্য আর সকালের নাস্তার মিলনমেলা এবিএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সাদ নূরানী প্রি ক্যাডেট স্কুলে গাছের চারা বিতরণ নোয়াখালীতে মৎস্য খামারে বিষ ঢেলে মাছ মারার অভিযোগ

রাজশাহীতে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের

রিপোর্টারের নাম

রাজশাহীতে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

 

রাজশাহীতে তীব্র দাবদাহে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের
দেশজুড়ে চলছে মধুমাস। জ্যৈষ্ঠ মাসের আগমনে বাজারে উঠতে শুরু করেছে নানা রকম সুস্বাদু ও রসালো মৌসুমি ফল। ইতোমধ্যে রাজশাহীর বাজারগুলোতে আম ও লিচুর সমারোহ দেখা গেলেও তীব্র দাবদাহের কারণে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ফল তালশাঁসের। প্রচণ্ড গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে ও তৃষ্ণা মেটাতে রাজশাহীর মানুষ এখন ঝুঁকছেন তালশাঁসের দিকে।

রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার, তালাইমাড়ি, বিনোদপুর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে ভ্যানগাড়িতে করে তালশাঁস বিক্রি করছেন অসংখ্য বিক্রেতা। শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও পথচারীরা গরম থেকে স্বস্তি পেতে তালশাঁস কিনছেন।

জানা গেছে, রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এসব তালশাঁস। পরে সেগুলো নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এনে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। চলমান তীব্র তাপদাহে বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ বলে জানান তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্যানে করে তালশাঁস বিক্রি করছেন সুমন ।

তিনি বলেন, প্রতি পিস তালশাঁস ৫ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। একটি তালে সাধারণত তিনটি শাঁস থাকায় পুরো তাল বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়।

তিনি আরও বলেন, গরমের সময় তালশাঁসের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষই এটা খেতে পছন্দ করেন। প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পিস তালশাঁস বিক্রি করি। এবার গরম বেশি হওয়ায় বিক্রিও বেশি হচ্ছে।

সুমনের মতো আরও অনেক বিক্রেতাকে সাহেব বাজার, তালাইমাড়ি, বিনোদপুর ও বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় তালশাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে। কেউ ভ্যানে, কেউবা রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকান বসিয়ে এই ফল বিক্রি করছেন।

তালাইমাড়ি এলাকায় কাজের ফাঁকে তালশাঁস খেতে দেখা যায় নির্মাণ শ্রমিক শহিদুল ইসলামকে।

তিনি বলেন, সারাদিন রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়। গরমে শরীর খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। তালশাঁস খেলে শরীর ঠান্ডা লাগে এবং কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।

অন্যদিকে সাহেববাজারে কেনাকাটা করতে এসে তালশাঁস খাচ্ছিলেন রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী রাইয়ান।

তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমে তালশাঁস খুবই আরাম দেয়। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী। তাই গরমে সুযোগ পেলেই খাই।

চিকিৎসকদের মতে, তালশাঁসে প্রচুর পানি ও প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান থাকায় এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। ফলে তীব্র গরমে মানুষের কাছে তালশাঁস এখন অন্যতম জনপ্রিয় ফল হয়ে উঠেছে।

রাজশাহীতে চলমান দাবদাহ অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে তালশাঁসের চাহিদা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সকলে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST