July 10, 2026, 3:16 am
শিরোনাম:
নাসিরনগরে সরকারি সিনিয়র নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার. পাবনা ফরিদপুরে ১০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল পুরিয়ে ধ্বংস এ-আই প্রযুক্তিতে ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার, চাঁদা দাবির অভিযোগ একটি ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে নবাগত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজকে উষ্ণ সংবর্ধনায় বরণ করলো কুমিল্লা আইনজীবী সমিতি মোংলায় সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক পত্নীতলা উপজেলায় দিবর ইউনিয়নে সফরকালে সাধার মানুষের সঙ্গে মত বিনিময় সময় পুলিশের গুলিতে চোখ হারানো নবাব বঞ্চিত ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে,সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ কৈকুড়ী ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লার ৫৮তম অভিষেক অনুষ্ঠিত ‘সেবাই সর্বোচ্চ পরিচয়’—নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে মানবকল্যাণে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় কুমিল্লায় ৩ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা মামলায় মাদক ব্যবসায়ীর ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

কুমিল্লায় ৩ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা মামলায় মাদক ব্যবসায়ীর ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

রিপোর্টারের নাম

কুমিল্লায় ৩ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা মামলায় মাদক ব্যবসায়ীর ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা।।
কুমিল্লায় ৩ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মো. সাগর শিকদার ওরফে সাগর হাওলাদার নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালত এর বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৪ মে সন্ধ্যায় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজার দক্ষিণ পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালায় দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ। এ সময় গাড়িটির ড্রাইভিং সিটে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৩ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানার তৎকালীন এএসআই মো. আমীর হোসেন বাদী হয়ে মো. সাগর শিকদারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রদীপ মণ্ডল ২০১৬ সালের ৫ জুন অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তৎকালীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এর ১৯(১) ধারার টেবিল-৯(খ) অনুযায়ী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরবর্তীতে একই বছরের ১৩ নভেম্বর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. সাগর শিকদারকে সংশ্লিষ্ট ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. সাগর শিকদার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. মতিন মোল্লা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST