August 2, 2026, 11:31 am
শিরোনাম:
ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের হরিপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন কটিয়াদীতে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতা জোরদার, ওসিকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ নড়াইলের লোহাগড়ায় জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের হরিপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন নওগাঁর মহাদেবপুর চৌমাশিয়া কৃষক দলের আয়োজনে শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন ফেসবুকে প্রেম থেকে নেত্রকোনায় এসে তরুণীকে বিয়ে করে চীনা যুবক ওয়্যাং সুলিন এখন নুর উদ্দিন ​ নোয়াখালীতে হেফাজতের সমাবেশে প্রশাসনের শর্ত লঙ্ঘন, উস্কানি ও মিথ্যাচারের দাবি হেযবুত তওহীদের মানবিক আবেদনকে পুঁজি করে প্রতারণা: প্রসূতি মা ও অনাগত যমজ সন্তানের জীবন বাঁচানোর আকুতির সুযোগে অর্থ আত্মসাৎ কুমিল্লাকে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে সুজনের মানববন্ধন

ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম

ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলা ডিমলা উপজেলা তিস্তা নদী ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ পরিদর্শন শেষে বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং তা পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উপায় খোঁজা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি বছরের শেষ দিকে অন্তত পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দৃশ্যমান অগ্রগতি শুরু হবে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও নদী ব্যবস্থাপনায় মহাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনের সময় দীর্ঘদিন ধরে স্থাবির হয়ে থাকা বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের প্রায় ১৩০ কোটি টাকার পুনর্খনন কাজ নানা জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে মামলা প্রত্যাহারসহ সব জটিলতার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়।
এদিকে ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় তিস্তার ভয়াবহ ভাঙন সরেজমিনে দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কোনো মানুষের বসতভিটা বা কৃষিজমি যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। এলাকায় পরিদর্শন সময় পানি উন্নয় বিভাগের কর্মকর্তা স্হানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা, কৃষক, সংবাদকর্মী ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST