October 19, 2026, 10:32 am
শিরোনাম:
হাদল বড় বিল সৈকতে আরাফাত রহমান কোকোর সৃতিতে নৌকা বাইজ অনুষ্ঠিত দেওঘরের পাওন সদয়নগরে শারদীয় দুর্গোৎসবে নগদ অর্থ উপহার দিলেন বিএনপি নেতা মুনসুর আলম চৌধুরী দুই বছরের কমিটি, দায়িত্বে তৃতীয় বছরেও—করতকান্দী দুর্গাপূজায় নেতৃত্বে সনজয় সরকার বিজয়নগরে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে বিল্লাল মেম্বারের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা। সাংবাদিককে হেনস্তা, মানহানিকর প্রচার ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। বরুড়ার মহেশপুর রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শনে জেলা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ চাটমোহরে সন্ধানী যুব সমিতির আওয়ামী লীগপন্থী কমিটি বাতিল ও অনিয়ম তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন। রুড়ার মহেশপুর রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শনে জেলা ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ অষ্টগ্রামে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে কিশোরগঞ্জ -৪ আসনের সাংসদ এডভোকেট ফজলুর রহমান জামালপুরে উৎসব ও সম্প্রীতিতে পালিত হোক দুর্গাপূজা, সোহেল রানা খান সিরাজগঞ্জে ৫৫১ পূজামণ্ডপে জেলা পরিষদের অনুদানের চেক বিতরণ

হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে হেযবুত তওহীদের

রিপোর্টারের নাম

হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে হেযবুত তওহীদের
​
রাসেদ বিল্লাহ চিশতীঃ (ঢাকা থেকে) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন হেযবুত তওহীদ-এর মাননীয় ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। তিনি এই দাবিকে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক, অনৈতিক, বেআইনি এবং অমানবিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। একই সাথে বিবিসিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে হেফাজতে ইসলাম হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী’সহ যে সমস্ত আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করেছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও বর্জনীয় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
​আজ (৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাবুনগর মাদ্রাসায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ৯ দফা দাবি পেশ করে হেফাজতে ইসলাম। এই দাবিপত্রের ৬ নম্বর দফায় ‘হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার’ যে চরম অগণতান্ত্রিক দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, হেযবুত তওহীদ-এর ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম তা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে প্রত্যাখ্যান করছেন।
​এক বিবৃতিতে হেযবুত তওহীদের ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেন, “প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন দেশের প্রচলিত কোনো আইন ভঙ্গ করেনি এবং কোনো অনৈতিক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না, এখনো নাই। পক্ষান্তরে, হেফাজতে ইসলামের বিভিন্ন অংশের বিরুদ্ধে অতীতে বহু অরাজকতা সৃষ্টি, বিশৃঙ্খলা ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অথচ হেযবুত তওহীদের মতো একটি শান্তিকামী ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বেআইনি কাজের প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও, কেবল ধর্মীয় কতক বিষয়ে মতপার্থক্যের অজুহাতে তাদের নিষিদ্ধ করার দাবি তোলা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।”
​তিনি আরও বলেন, “ইসলাম ধর্মের ভেতরে আকিদাগত, মাসআলাগত এবং দৃষ্টিভঙ্গিগত মতপার্থক্য কোনো নতুন বিষয় নয়। মুসলিম বিশ্বে এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক ও স্বীকৃত একটি ঐতিহ্য, যা হাজার বছর ধরে চলে আসছে। অতীতে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিভিন্ন সংগঠনসহ দেশের বিভিন্ন মহল থেকে হেফাজতে ইসলামকে নিষিদ্ধ করার দাবিও বারবার উঠেছে। আবার হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকেও বহু ধর্মীয় সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলা হয়েছে। ইসলামের নামে সক্রিয় বিভিন্ন দল ও সংগঠনের পারস্পরিক মতপার্থক্যের জেরে একে অপরকে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলা যেন একটি অপ-অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
এভাবে কেবল দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্যের কারণে বা কোনো গোষ্ঠীর অন্যায্য দাবির ভিত্তিতে যদি কোনো বৈধ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার নিয়ম চালু করতে হয়, তবে এ দেশে কোনো দল বা সংগঠনই তার সাংবিধানিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পাবে না, অক্ষুণ্ন থাকবে না নাগরিকদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারও।”
হেযবুত তওহীদের ইমাম সরকারের নিকট জোর দাবি জানিয়ে বলেন, সরকার যেন কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর উস্কানি বা চাপে বিভ্রান্ত না হয়ে সম্পূর্ণ বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনা করে।
​ হেযবুত তওহীদ একটি সম্পূর্ণ আইনমান্যকারী আন্দোলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান সরকার হেযবুত তওহীদের প্রতিটি সদস্যের মানবাধিকার, ন্যায়সঙ্গত নাগরিক অধিকার এবং স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার তথা বাকস্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখবে।
​বিবৃতিতে তিনি গভীর উদ্বেগের সাথে বলেন, “উগ্রবাদী কওমি গোষ্ঠী ও হেফাজতের কতিপয় নেতৃবৃন্দ দীর্ঘদিন ধরে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হ্যান্ডবিল তৈরি, মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও নানা রকম গুজব রটনা করে সমাজে অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের এই সুদূরপ্রসারী ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চক্রান্ত কেবল হেযবুত তওহীদের জন্যই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক শান্তিশৃঙ্খলা ও সরকারের জন্যও বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।”
​ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম স্পষ্ট করে বলেন, হেফাজতে ইসলাম মূলত সরকারের কাঁধে বন্দুক রেখে নিজেদের ধর্মীয় উগ্রতা ও অশুভ এজেন্ডা হাসিল করতে চাচ্ছে। তবে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকার তাদের এই অপতৎপরতা ও অশুভ লক্ষ্য কখনোই পূরণ হতে দেবে না বলেই তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে দেশের আইন মেনে শান্তিপূর্ণভাবে আদর্শিক কার্যক্রম পরিচালনার সমান অধিকার প্রতিটি নাগরিক ও সংগঠনের রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed by: BD IT HOST