Hot Posts

6/recent/ticker-posts

চলে এসেছে পৃথিবীর শেষ সময়, সত্য হচ্ছে মহানবী (স) এর কথা!

চলে এসেছে পৃথিবীর শেষ সময়, সত্য হচ্ছে মহানবী (স) এর কথা!

চলে এসেছে পৃথিবীর শেষ সময়, সত্য হচ্ছে মহানবী (স) এর কথা!

সবুজে ছেয়ে যাচ্ছে আরবের মরুভূমি। শুধু তাই না কিছু দিন আগে ও তুষার পাথ  হলো সৌদি আরবের রাজধানীতে, ১৪০০ বছর আগে এমন ভভিষ্যৎ বাণী করেছিলেন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিসালাম। 

তবে, কি চলে এসেছে পৃথিবীর শেষ সময়. সাম্প্রতিক বছর গুলিতে আরবের শুস্ক মরুভূমিতে বিস্তিন্ন অংশ সবুজ হতে শুরু করেছে। বিভিন্ন প্রযুক্তির পিছনে খরচ করছে কোটি কোটি ডলার এ দেশের সরকার প্রধান রা. 


বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে শুরু হয়েছে সবুজ বিপ্লব। শুধু তাই না, ডুবায়ের শুরু হয়েছে কৃত্রিম মেঘ দিয়ে বৃষ্টিপাতও অর্থাৎ প্রচুর টাকা খরচ করে ও বদলে ফেলা হচ্ছে এই আরবীয় উপদ্বীপের চেহারা। 




আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে এমন ভবিষ্যত বাণী করেন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিসালাম। "ততক্ষন পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না সম্পদের প্রাচুর্য এতো বেশি হবে যে কেউ যাকাত দিতে চাইবে কিন্তু তা গ্রহণ করার মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না. আর আরব অঞ্চল গুলো ভরে উঠবে সবুজ অরণ্যে ও নদীতে। [সহীহ মুসলিম].  


হাদীসটিতে উল্লেখ যোগ্য বিষয় হচ্ছে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিসাল্লাম সম্পদের পেৰাচুৰ্যৰ কথা বলেন। এতো বেশি সম্পদ আসবে মানুষের কাছে যে কাউকে যাকাত দেয়ার মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না. এরপর বলেন আরব অঞ্চলের সবুজে চেয়ে যাওয়ার কথা. 




বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায় আরব অঞ্চল সবুজে চেয়ে গেছে আর এর পিছনে কারণ হচ্ছে সম্পদ।  মহানবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর আরও একটি বিখ্যাত হাদিস রয়েছে, তিনি বলেন, কেয়ামতের আগে তোমরা দেখবে খালি পায়ের বেদুইনরা একে অন্যের সাথে উঁচু দালান নির্মাণের প্রতিযোগিতা করবে [সহীহ মুসলিম] 


এ হাদিসটি থেকেও বোঝা যায় যে, এক সময় যে আরবরা বেদুইন জীবনযাপন করতো অর্থের অভাবে একেবারে নিঃস্ব ছিল, তারা এখন একে অপরের প্রতিযোগিতায় নেমেছে কে কত বড় দালান তৈরি করতে পারে অর্থাৎ গত শতাব্দীর শুরুতেও অন্য রাষ্ট্রের অনুদানের দিকে সে থাকতো তাদের এখন এতই সম্পদ তারা বড় বড় স্থাপনা তৈরি করছে বিভিন্ন গবেষণায় বিনিয়োগ করছে এমনকি এই সম্পদের জেরে তারা তাদের জলবায়ু প্রেটান পরিবর্তন করে ফেলেছে.




 দুবাইয়ের সম্প্রতি কৃত্রিম মেঘ দিয়ে ঘটানো হয়েছে বৃষ্টিপাত, ড্রোনের সাহায্যে আকাশে কৃত্রিম মেঘ পাঠিয়ে যেখানে ইচ্ছা সেখানে বৃষ্টি বৃষ্টিপাত করাতে পাচ্ছে আর এর ফলে খুব দ্রুতই বদলে যাচ্ছে আরব্য অঞ্চলের চেহারা। একসময় যেখানে উত্তপ্ত বালু ছাড়া কিছুই ছিল না এখন বৃষ্টিপাত শিলাবৃষ্টি এমনকি তুষারপাত অনেকটা নিয়মিত ঘটানো।  তবে কি আরবের এমন পরিবর্তন ধ্বংস বা কিয়ামতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। 


“ফুল গল্পটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ”


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ