ঝালকাঠি-১ আসনে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত
জনসেবা ও সুষম বণ্টনে
অনন্য এমপি জনাব,রফিকুল ইসলাম জামাল'
মোঃ মাছুম বিল্লাহ ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর অতিবাহিত হয়েছে মাত্র কয়েক মাস। সাধারণত এই অল্প সময়ে একজন জনপ্রতিনিধির পক্ষে বিশাল কোনো পরিবর্তন আনা কঠিন হলেও, ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ঘটেছে তার ব্যতিক্রম। নিজের মেধা, কর্মতৎপরতা এবং জনকল্যাণের ব্রত নিয়ে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল এলাকায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার বিশেষ নজর এখন দৃশ্যমান। তিনি শুধু উন্নয়নের অঙ্গীকারই করেননি, বরং প্রতিটি প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নিজে তদারকি করছেন। এলাকাবাসীর মতে, রফিকুল ইসলাম জামালের বলিষ্ঠ পদক্ষেপে ঝালকাঠি-১ আসন এখন উন্নয়নের মডেলে পরিণত হচ্ছে। ফলে রাজাপুর ও কাঁঠালিয়ায় এখন পরিবর্তনের নতুন সুর বাজছে। স্বল্প সময়ে দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের ছোঁয়ানির্বাচনের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রফিকুল ইসলাম জামাল প্রমান করেছেন সদিচ্ছা থাকলে জনপদ বদলে দেওয়া সম্ভব। এছাড়াও গ্রামীণ জনপদের ছোট ছোট সমস্যা সমাধানে তার তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ এলাকাবাসীকে মুগ্ধ করেছে।
সরকারি বরাদ্দে স্বচ্ছতা ও সুষম বণ্টন ॥ বিগত সময়ে সরকারি বরাদ্দ নিয়ে নানা অভিযোগ থাকলেও, রফিকুল ইসলাম জামাল আসার পর চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে জনসংখ্যার ভিত্তিতে এবং প্রয়োজনের নিরিখে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও বরাদ্দ পৌঁছে দিচ্ছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে তার এই ‘সুষম বণ্টন নীতি’ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়াও টিআর (টেস্ট রিলিফ), কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য), কাবিটা ও সরকারি নানান প্রকল্পের বরাদ্দ এখন সরাসরি জনস্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমপি জামাল কেবল ফাইল সই করেই দায়িত্ব শেষ করেন না; তিনি নিজে মাঠে গিয়ে কাজের মান তদারকি করেন। ‘শতভাগ বাস্তবায়ন ও শতভাগ মান’এই নীতিতে তিনি অটল।
কর্মীদের আস্থার প্রতীক ॥ রফিকুল ইসলাম জামাল কেবল একজন জনপ্রতিনিধিই নন, বরং দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে এক ভরসার নাম। তৃণমূলের ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করতে তিনি পিছপা হন না। কর্মীদের সাথে গভীর সখ্যতা বজায় রাখা এবং তাদের বিপদে-আপদে ছায়ার মতো পাশে দাঁড়ানো তার নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কর্মীরা জানান, যেকোনো প্রয়োজনে এমপি মহোদয়কে পাশে পাওয়া যায়, যা আমাদের রাজনৈতিক শক্তিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। কর্মীরা বলছেন, ‘আমরা এমন একজন অভিভাবক পেয়েছি যার কাছে পৌঁছাতে কোনো ভায়া লাগে না।’
শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ॥ এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। রাজাপুর ও কাঁঠালিয়ায় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য তিনি নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং করছেন। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে তার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। তার কঠোর নির্দেশনায় স্থানীয় প্রশাসন এখন অনেক বেশি জনবান্ধব ও সক্রিয়। উন্নয়নের মডেলে রূপান্তরের স্বপ্নএলাকার প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, রফিকুল ইসলাম জামালের এই কর্মতৎপরতা অব্যাহত থাকলে ঝালকাঠি-১ আসন হবে সারা দেশের মধ্যে একটি আদর্শ ও সমৃদ্ধ সংসদীয় এলাকা। উন্নয়নের নতুন এই জোয়ারে রাজাপুর ও কাঁঠালিয়ার মানুষ এখন সোনালী ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে।
মোঃ মাছুম বিল্লাহ ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি
০১৭১১০৫৫৯৭৯